বাংলাদেশ ১২:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
fa fa-square রূপগঞ্জে হোটেল মালিককে কুপিয়ে জখম fa fa-square ধর্মপাশায় পাইকুরাটি ইউনিয়ন বিএনপির দ্বী- বার্ষিক সম্মেলনে সভাপতি মোহাম্মাদ আলী, সাধারণ সম্পাদক জিয়া উদ্দিন জিয়া  fa fa-square ধর্মপাশায় ২ কোটি টাকার মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স অযত্নে, বঞ্চিত বীর মুক্তিযোদ্ধারা fa fa-square ফেরত এলো হাওড়ের ফসল রক্ষা বাঁধের ২,৬৪৪ ব্লক fa fa-square গোয়াইনঘাটে বিছনাকান্দি ইউপিতে সেবা পেতে ভোগান্তির অভিযোগ প্রশাসনিক কর্মকর্তার দেরিতে উপস্থিতি ও কর্মচারীর দুর্ব্যবহারের অভিযোগ, তদন্তের আশ্বাস ইউএনওর fa fa-square ধর্মপাশায় অতর্কিত হামলা ও মালামাল লুট  fa fa-square মদনে ছেলের দায়ের কোপে বাবা নিহত, অভিযুক্ত আটক ​মদন (পলাশ পাল, নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি) নেত্রকোনার মদন উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে ছেলের দায়ের কোপে মো. আলাই মিয়া (৬৫) নামে এক কৃষক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ছেলে মো. ইয়াছিন মিয়াকে (২০) আটক করেছে পুলিশ। ​আজ ৯ সেপ্টেম্বর বুধবার সকাল আনুমানিক ৭.৩০এর দিকে মদন উপজেলার আশকিপাড়া এলাকায় নিজ বাড়িতে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত আলাই মিয়া ওই গ্রামেরই মৃত কুন্ডু মিয়ার ছেলে। ​পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইয়াছিন মিয়া দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন এবং কয়েক দিন ধরে তিনি তীব্র হতাশাগ্রস্ত ছিলেন। পারিবারিক নানা টানাপোড়েনের কারণে গত প্রায় দুই দিন ধরে তিনি খাওয়াদাওয়া বন্ধ রেখেছিলেন। বুধবার সকালে বাবা আলাই মিয়া তাঁকে খাবার খাওয়ার জন্য ডাকলে দুজনের মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হয়। একপর্যায়ে বাবা ছেলেকে ধমক দিলে ছেলে ইয়াছিন ক্ষিপ্ত হয়ে ঘরে থাকা বঁটি দিয়ে আলাই মিয়ার ঘাড়ে ও শরীরে এলোপাতাড়ি কোপ দিতে থাকেন । ​আলাই মিয়ার চিৎকারে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় লোকজন ছুটে এসে ইয়াছিনকে হাতেনাতে আটক করে পুলিশে খবর দেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় আলাই মিয়াকে উদ্ধার করে স্থানীয় মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ​ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাহউদ্দিন করিম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্ত ইয়াছিন মিয়াকে আটক করে থানায় নিয়ে এসেছে। নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ​ওসি আরও জানান, ঘটনার বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে এবং নিহত আলাই মিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে ইয়াছিন মিয়ার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে fa fa-square ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়ার কথা বলে টাকা আদায়ের অভিযোগ, নেত্রকোনায় এনসিপি নেত্রী আটক fa fa-square নেত্রকোণা সরকারি কলেজে বিতর্ক উৎসব সম্পন্ন: ইংরেজি বিভাগকে হারিয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ চ্যাম্পিয়ন fa fa-square গভীর রাতে শিশু সন্তানকে সাথে নিয়েই সড়ক নির্মাণকাজ তদারকিতে নেত্রকোনার এডিবি লিজা, প্রশংসা সর্বমহলে

ফেরত এলো হাওড়ের ফসল রক্ষা বাঁধের ২,৬৪৪ ব্লক

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:৫৪:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২৯ Time View

(পলাশ পাল, নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি
নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলার ডিঙ্গাপোতা হাওড়ের চরহাইজদা ফসল রক্ষা বাঁধ থেকে খুলে নিয়ে যাওয়া ২ হাজার ৬৪৪টি সিসি ব্লক উদ্ধার ও পুনঃস্থাপন করা হয়েছে। উল্লেখ যে, এ ক্ষয়ক্ষতির ব্যাপারে বিভিন্ন মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশের পর থেকেই বিভিন্ন প্রশাসনিক তৎপরতা দেখা দেয়। পুলিশ, উপজেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) যৌথ উদ্যোগ এবং স্থানীয়দের সহযোগিতায় ব্লকগুলো ক্রমান্বয়ে ফেরত আনা সম্ভব হয়।
​গত ১৮ আগস্ট উত্তর বরান্তর বাজারের পাশে চিকাডুবি হাওড় এলাকায় বাঁধের প্রায় ২৫০ মিটার অংশ থেকে সিসি ব্লক খুলে নেওয়া শুরু হয়। বিষয়টি জানতে পেরে ২৩ আগস্ট পাউবোর উপসহকারী প্রকৌশলী মো. এনায়েত হোসেন মোহনগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
​পুলিশ ও পাউবো সূত্র জানায়, কিছু লোক ব্লকগুলো গোয়ালঘর, মাচার নিচে, হাওড়ে নামার সিঁড়ি এবং বাড়ির পাড় সুরক্ষা করনসহ বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করছিলেন। বাধা দিতে গেলে স্থানীয়দের গালাগাল ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও ওঠে। পরবর্তীতে পুলিশ প্রশাসন ও পাউবোর কর্মকর্তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে বাঁধের গুরুত্ব ও আইনি দিক বুঝিয়ে বললে ভুল বুঝতে পেরে বাসিন্দারা নিজস্ব নৌকায় করে ব্লকগুলো ফেরত দিয়ে আসেন।
​পাউবোর নেত্রকোনা কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “লুট হওয়া ২ হাজার ৬৪৪টি ব্লকের সবই উদ্ধার করা হয়েছে। বর্তমানে এগুলো নির্ধারিত স্থানে ইতিমধ্যে বসানো হচ্ছে এবং পানি কমা মাত্রই পুনরায় সিমেন্ট দিয়ে শক্তভাবে গেঁথে দেওয়া হবে।”এ ব্যাপারে
​পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলাম জানান, হাওড়ের হাজার হাজার হেক্টর জমির ফসল রক্ষায় এই বাঁধ অত্যন্ত জরুরি। সাময়িক সুবিধার জন্য এটি ক্ষতিগ্রস্ত করা চরম ঝুঁকিপূর্ণ। তবে ব্লক নিয়ে যাওয়া ব্যক্তিরা নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে তা নিজ নিজ উদ্যোগে ফিরিয়ে দেওয়ায় একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত তৈরি হয়েছে।
​উল্লেখ্য, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ৩৯ কোটি ৬৪ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত ৬১ কিলোমিটার দীর্ঘ চরহাইজদা বাঁধটি ডিঙ্গাপোতা হাওড়ের সাড়ে ৬ হাজার হেক্টর জমিসহ পার্শ্ববর্তী খালিয়াজুরি উপজেলার বোরো ফসল বন্যায় প্লাবিত হওয়া থেকে রক্ষা করে। সকল ব্লক ফেরত আসায় স্থানীয় কৃষকদের মাঝে এখন স্বস্তি ফিরে এসেছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

রূপগঞ্জে হোটেল মালিককে কুপিয়ে জখম

ফেরত এলো হাওড়ের ফসল রক্ষা বাঁধের ২,৬৪৪ ব্লক

Update Time : ০৭:৫৪:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

(পলাশ পাল, নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি
নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলার ডিঙ্গাপোতা হাওড়ের চরহাইজদা ফসল রক্ষা বাঁধ থেকে খুলে নিয়ে যাওয়া ২ হাজার ৬৪৪টি সিসি ব্লক উদ্ধার ও পুনঃস্থাপন করা হয়েছে। উল্লেখ যে, এ ক্ষয়ক্ষতির ব্যাপারে বিভিন্ন মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশের পর থেকেই বিভিন্ন প্রশাসনিক তৎপরতা দেখা দেয়। পুলিশ, উপজেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) যৌথ উদ্যোগ এবং স্থানীয়দের সহযোগিতায় ব্লকগুলো ক্রমান্বয়ে ফেরত আনা সম্ভব হয়।
​গত ১৮ আগস্ট উত্তর বরান্তর বাজারের পাশে চিকাডুবি হাওড় এলাকায় বাঁধের প্রায় ২৫০ মিটার অংশ থেকে সিসি ব্লক খুলে নেওয়া শুরু হয়। বিষয়টি জানতে পেরে ২৩ আগস্ট পাউবোর উপসহকারী প্রকৌশলী মো. এনায়েত হোসেন মোহনগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
​পুলিশ ও পাউবো সূত্র জানায়, কিছু লোক ব্লকগুলো গোয়ালঘর, মাচার নিচে, হাওড়ে নামার সিঁড়ি এবং বাড়ির পাড় সুরক্ষা করনসহ বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করছিলেন। বাধা দিতে গেলে স্থানীয়দের গালাগাল ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও ওঠে। পরবর্তীতে পুলিশ প্রশাসন ও পাউবোর কর্মকর্তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে বাঁধের গুরুত্ব ও আইনি দিক বুঝিয়ে বললে ভুল বুঝতে পেরে বাসিন্দারা নিজস্ব নৌকায় করে ব্লকগুলো ফেরত দিয়ে আসেন।
​পাউবোর নেত্রকোনা কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “লুট হওয়া ২ হাজার ৬৪৪টি ব্লকের সবই উদ্ধার করা হয়েছে। বর্তমানে এগুলো নির্ধারিত স্থানে ইতিমধ্যে বসানো হচ্ছে এবং পানি কমা মাত্রই পুনরায় সিমেন্ট দিয়ে শক্তভাবে গেঁথে দেওয়া হবে।”এ ব্যাপারে
​পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলাম জানান, হাওড়ের হাজার হাজার হেক্টর জমির ফসল রক্ষায় এই বাঁধ অত্যন্ত জরুরি। সাময়িক সুবিধার জন্য এটি ক্ষতিগ্রস্ত করা চরম ঝুঁকিপূর্ণ। তবে ব্লক নিয়ে যাওয়া ব্যক্তিরা নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে তা নিজ নিজ উদ্যোগে ফিরিয়ে দেওয়ায় একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত তৈরি হয়েছে।
​উল্লেখ্য, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ৩৯ কোটি ৬৪ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত ৬১ কিলোমিটার দীর্ঘ চরহাইজদা বাঁধটি ডিঙ্গাপোতা হাওড়ের সাড়ে ৬ হাজার হেক্টর জমিসহ পার্শ্ববর্তী খালিয়াজুরি উপজেলার বোরো ফসল বন্যায় প্লাবিত হওয়া থেকে রক্ষা করে। সকল ব্লক ফেরত আসায় স্থানীয় কৃষকদের মাঝে এখন স্বস্তি ফিরে এসেছে।