বাংলাদেশ ১১:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
fa fa-square ফেরত এলো হাওড়ের ফসল রক্ষা বাঁধের ২,৬৪৪ ব্লক fa fa-square গোয়াইনঘাটে বিছনাকান্দি ইউপিতে সেবা পেতে ভোগান্তির অভিযোগ প্রশাসনিক কর্মকর্তার দেরিতে উপস্থিতি ও কর্মচারীর দুর্ব্যবহারের অভিযোগ, তদন্তের আশ্বাস ইউএনওর fa fa-square ধর্মপাশায় অতর্কিত হামলা ও মালামাল লুট  fa fa-square মদনে ছেলের দায়ের কোপে বাবা নিহত, অভিযুক্ত আটক ​মদন (পলাশ পাল, নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি) নেত্রকোনার মদন উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে ছেলের দায়ের কোপে মো. আলাই মিয়া (৬৫) নামে এক কৃষক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ছেলে মো. ইয়াছিন মিয়াকে (২০) আটক করেছে পুলিশ। ​আজ ৯ সেপ্টেম্বর বুধবার সকাল আনুমানিক ৭.৩০এর দিকে মদন উপজেলার আশকিপাড়া এলাকায় নিজ বাড়িতে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত আলাই মিয়া ওই গ্রামেরই মৃত কুন্ডু মিয়ার ছেলে। ​পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইয়াছিন মিয়া দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন এবং কয়েক দিন ধরে তিনি তীব্র হতাশাগ্রস্ত ছিলেন। পারিবারিক নানা টানাপোড়েনের কারণে গত প্রায় দুই দিন ধরে তিনি খাওয়াদাওয়া বন্ধ রেখেছিলেন। বুধবার সকালে বাবা আলাই মিয়া তাঁকে খাবার খাওয়ার জন্য ডাকলে দুজনের মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হয়। একপর্যায়ে বাবা ছেলেকে ধমক দিলে ছেলে ইয়াছিন ক্ষিপ্ত হয়ে ঘরে থাকা বঁটি দিয়ে আলাই মিয়ার ঘাড়ে ও শরীরে এলোপাতাড়ি কোপ দিতে থাকেন । ​আলাই মিয়ার চিৎকারে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় লোকজন ছুটে এসে ইয়াছিনকে হাতেনাতে আটক করে পুলিশে খবর দেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় আলাই মিয়াকে উদ্ধার করে স্থানীয় মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ​ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাহউদ্দিন করিম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্ত ইয়াছিন মিয়াকে আটক করে থানায় নিয়ে এসেছে। নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ​ওসি আরও জানান, ঘটনার বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে এবং নিহত আলাই মিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে ইয়াছিন মিয়ার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে fa fa-square ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়ার কথা বলে টাকা আদায়ের অভিযোগ, নেত্রকোনায় এনসিপি নেত্রী আটক fa fa-square নেত্রকোণা সরকারি কলেজে বিতর্ক উৎসব সম্পন্ন: ইংরেজি বিভাগকে হারিয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ চ্যাম্পিয়ন fa fa-square গভীর রাতে শিশু সন্তানকে সাথে নিয়েই সড়ক নির্মাণকাজ তদারকিতে নেত্রকোনার এডিবি লিজা, প্রশংসা সর্বমহলে fa fa-square সীমান্তবর্তী দুর্গাপুরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অনন্য ভূমিকা: টানা ৩ বার শ্রেষ্ঠ ওসি খন্দকার শাকের fa fa-square ধর্মপাশায় পরিত্যক্ত কালিজানা ব্রিজ: ঝুঁকি নিয়ে পারাপার, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ, fa fa-square রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের ইসলামের প্রথম ঠাকুরগাঁও সফর

গোয়াইনঘাটে বিছনাকান্দি ইউপিতে সেবা পেতে ভোগান্তির অভিযোগ প্রশাসনিক কর্মকর্তার দেরিতে উপস্থিতি ও কর্মচারীর দুর্ব্যবহারের অভিযোগ, তদন্তের আশ্বাস ইউএনওর

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:৪৫:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৪১ Time View

সুলেমান সিদ্দিকী, গোয়াইনঘাট (সিলেট) প্রতিনিধি:
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার ১৩ নম্বর বিছনাকান্দি ইউনিয়ন পরিষদে নাগরিক সেবা নিতে এসে ভোগান্তির শিকার হওয়ার অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। নির্বাচিত চেয়ারম্যান না থাকায় প্রশাসকের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালিত হওয়া এই ইউনিয়ন পরিষদে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নিয়মিত উপস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক বদরুল ইসলাম সপ্তাহে মাত্র একদিন বুধবার কার্যালয়ে উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও অনেক সময় নির্ধারিত দিনেও তাকে পাওয়া যায় না। ফলে দূর-দূরান্ত থেকে বিভিন্ন সরকারি সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়।
অন্যদিকে, ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম সপ্তাহে দুই দিন—বুধবার ও বৃহস্পতিবার—বিছনাকান্দি ইউনিয়ন পরিষদে দায়িত্ব পালনের কথা থাকলেও তিনি নির্ধারিত সময়ে কার্যালয়ে উপস্থিত হন না বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, তিনি প্রায়ই দুপুর ১২টা থেকে ১টার দিকে অফিসে আসেন। এতে জন্মনিবন্ধন, ট্রেড লাইসেন্সসহ বিভিন্ন নাগরিক সেবা নিতে আসা মানুষ দুর্ভোগে পড়ছেন।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে ট্রেড লাইসেন্সের জন্য আসা স্থানীয় বাসিন্দা আজাদ মিয়া অভিযোগ করে বলেন, “সকাল সাড়ে ৯টার দিকে অফিসে এসেছি। বেলা সাড়ে ১১টা হয়ে গেলেও ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা আসেননি। বিষয়টি হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর জাহাঙ্গীর আলমকে জানালে তিনি আমার সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন।”
আজাদ মিয়া আরও অভিযোগ করেন, ট্রেড লাইসেন্স দেওয়ার বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক বদরুল ইসলাম অফিসের ফোনে জাহাঙ্গীর আলমকে নির্দেশনা দিলেও তিনি লাইসেন্সটি প্রদান করেননি।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম বলেন, “সপ্তাহে দুই দিন বুধবার ও বৃহস্পতিবার বিছনাকান্দি ইউনিয়নে অফিস করি। বিছনাকান্দি ইউপির নামে এখনো আইডি হয়নি। তাই রুস্তমপুর ইউপির আইডি ব্যবহার করে বিছনাকান্দির জন্মনিবন্ধনসহ অন্যান্য নাগরিক সেবা দিতে হচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, “বুধবার সকালে রুস্তমপুর অফিসে বিছনাকান্দির জমে থাকা কাজ এবং একটি এনজিও সংস্থার মিটিং থাকায় সেখানে যেতে দেরি হয়েছে।”
বিছনাকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক বদরুল ইসলাম বলেন, “আগে সপ্তাহে একদিন ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম বিছনাকান্দিতে অফিস করতেন। নাগরিক সেবার চাপ থাকায় এখন বুধবার ও বৃহস্পতিবার দুদিন অফিস করার কথা বলা হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা অফিসে দেরিতে আসা এবং হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটরের বিরুদ্ধে সেবা গ্রহীতার সঙ্গে অসদাচরণের বিষয়টি শুনেছি। বিষয়টি দেখার জন্য বর্তমানে কোম্পানীগঞ্জে অফিসের কাজে রয়েছি।”
এ বিষয়ে গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রতন কুমার অধিকারী বলেন, “সরকারি চাকরি করে সময়মতো অফিসে না আসার কোনো সুযোগ নেই। ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা কেন সময়মতো অফিসে আসেননি এবং হিসাব সহকারী কেন সেবা গ্রহীতার সঙ্গে খারাপ আচরণ করবেন—এ বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
স্থানীয়দের দাবি, ইউনিয়ন পরিষদে নির্ধারিত সময়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার পাশাপাশি নাগরিকদের সঙ্গে জনবান্ধব আচরণ নিশ্চিত করা জরুরি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর নজরদারি ও দ্রুত পদক্ষেপ দাবি করেছেন ভুক্তভোগী ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

ফেরত এলো হাওড়ের ফসল রক্ষা বাঁধের ২,৬৪৪ ব্লক

গোয়াইনঘাটে বিছনাকান্দি ইউপিতে সেবা পেতে ভোগান্তির অভিযোগ প্রশাসনিক কর্মকর্তার দেরিতে উপস্থিতি ও কর্মচারীর দুর্ব্যবহারের অভিযোগ, তদন্তের আশ্বাস ইউএনওর

Update Time : ০৯:৪৫:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সুলেমান সিদ্দিকী, গোয়াইনঘাট (সিলেট) প্রতিনিধি:
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার ১৩ নম্বর বিছনাকান্দি ইউনিয়ন পরিষদে নাগরিক সেবা নিতে এসে ভোগান্তির শিকার হওয়ার অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। নির্বাচিত চেয়ারম্যান না থাকায় প্রশাসকের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালিত হওয়া এই ইউনিয়ন পরিষদে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নিয়মিত উপস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক বদরুল ইসলাম সপ্তাহে মাত্র একদিন বুধবার কার্যালয়ে উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও অনেক সময় নির্ধারিত দিনেও তাকে পাওয়া যায় না। ফলে দূর-দূরান্ত থেকে বিভিন্ন সরকারি সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়।
অন্যদিকে, ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম সপ্তাহে দুই দিন—বুধবার ও বৃহস্পতিবার—বিছনাকান্দি ইউনিয়ন পরিষদে দায়িত্ব পালনের কথা থাকলেও তিনি নির্ধারিত সময়ে কার্যালয়ে উপস্থিত হন না বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, তিনি প্রায়ই দুপুর ১২টা থেকে ১টার দিকে অফিসে আসেন। এতে জন্মনিবন্ধন, ট্রেড লাইসেন্সসহ বিভিন্ন নাগরিক সেবা নিতে আসা মানুষ দুর্ভোগে পড়ছেন।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে ট্রেড লাইসেন্সের জন্য আসা স্থানীয় বাসিন্দা আজাদ মিয়া অভিযোগ করে বলেন, “সকাল সাড়ে ৯টার দিকে অফিসে এসেছি। বেলা সাড়ে ১১টা হয়ে গেলেও ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা আসেননি। বিষয়টি হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর জাহাঙ্গীর আলমকে জানালে তিনি আমার সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন।”
আজাদ মিয়া আরও অভিযোগ করেন, ট্রেড লাইসেন্স দেওয়ার বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক বদরুল ইসলাম অফিসের ফোনে জাহাঙ্গীর আলমকে নির্দেশনা দিলেও তিনি লাইসেন্সটি প্রদান করেননি।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম বলেন, “সপ্তাহে দুই দিন বুধবার ও বৃহস্পতিবার বিছনাকান্দি ইউনিয়নে অফিস করি। বিছনাকান্দি ইউপির নামে এখনো আইডি হয়নি। তাই রুস্তমপুর ইউপির আইডি ব্যবহার করে বিছনাকান্দির জন্মনিবন্ধনসহ অন্যান্য নাগরিক সেবা দিতে হচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, “বুধবার সকালে রুস্তমপুর অফিসে বিছনাকান্দির জমে থাকা কাজ এবং একটি এনজিও সংস্থার মিটিং থাকায় সেখানে যেতে দেরি হয়েছে।”
বিছনাকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক বদরুল ইসলাম বলেন, “আগে সপ্তাহে একদিন ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম বিছনাকান্দিতে অফিস করতেন। নাগরিক সেবার চাপ থাকায় এখন বুধবার ও বৃহস্পতিবার দুদিন অফিস করার কথা বলা হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা অফিসে দেরিতে আসা এবং হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটরের বিরুদ্ধে সেবা গ্রহীতার সঙ্গে অসদাচরণের বিষয়টি শুনেছি। বিষয়টি দেখার জন্য বর্তমানে কোম্পানীগঞ্জে অফিসের কাজে রয়েছি।”
এ বিষয়ে গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রতন কুমার অধিকারী বলেন, “সরকারি চাকরি করে সময়মতো অফিসে না আসার কোনো সুযোগ নেই। ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা কেন সময়মতো অফিসে আসেননি এবং হিসাব সহকারী কেন সেবা গ্রহীতার সঙ্গে খারাপ আচরণ করবেন—এ বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
স্থানীয়দের দাবি, ইউনিয়ন পরিষদে নির্ধারিত সময়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার পাশাপাশি নাগরিকদের সঙ্গে জনবান্ধব আচরণ নিশ্চিত করা জরুরি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর নজরদারি ও দ্রুত পদক্ষেপ দাবি করেছেন ভুক্তভোগী ও স্থানীয় বাসিন্দারা।