বাংলাদেশ ০৫:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
fa fa-square ধান সংগ্রহে জালিয়াতি: নেত্রকোনায় এলএসডি কর্মকর্তা বরখাস্ত, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক বদলি fa fa-square ধর্মপাশায় ফজলুল হক সেলবর্ষী স্মৃতি ফুটবল টুনামেন্টে – এমপি কামরুল  fa fa-square গোয়াইনঘাটে ইজারাবহির্ভূত ও ইসিএ ভুক্ত স্থান থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ fa fa-square খালিয়াজুরীতে হাওড়ের পানিতে ডুবে দুই শিশুর করুণ মৃত্যু fa fa-square ট্রলারের ইঞ্জিনে বোরকা-চুল পেঁচিয়ে বরযাত্রী নারীর মর্মান্তিক মৃত্যু: fa fa-square আসক’র সিলেট জেলা কমিটি গঠন সভাপতি রাজু, সম্পাদক আশরাফুল fa fa-square রূপগঞ্জে হোটেল মালিককে কুপিয়ে জখম fa fa-square ধর্মপাশায় পাইকুরাটি ইউনিয়ন বিএনপির দ্বী- বার্ষিক সম্মেলনে সভাপতি মোহাম্মাদ আলী, সাধারণ সম্পাদক জিয়া উদ্দিন জিয়া  fa fa-square ধর্মপাশায় ২ কোটি টাকার মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স অযত্নে, বঞ্চিত বীর মুক্তিযোদ্ধারা fa fa-square ফেরত এলো হাওড়ের ফসল রক্ষা বাঁধের ২,৬৪৪ ব্লক

২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্যাংরেপ ও হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন, ৪ আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:১১:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬
  • ১৭১ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক, মুন্সীগঞ্জ:
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় এক তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর হত্যা এবং লাশ নদীতে ফেলে দেওয়ার ঘটনায় মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার চার আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
পিবিআই সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ মে ২০২৬ তারিখে গজারিয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ি উপজেলার টেংগারচর ইউনিয়নের বড় ভাটেরচর এলাকায় ফুলদী নদী থেকে এক অজ্ঞাত তরুণীর ভাসমান লাশ উদ্ধার করে। পরে পিবিআই, মুন্সীগঞ্জ জেলার তদন্তে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা হয়। নিহত হালিমা আক্তার (১৯) গজারিয়া উপজেলার হোসেন্দী ইউনিয়নের জামালদী গ্রামের বাসিন্দা।
এ ঘটনায় নিহতের বোন হোসনেয়ারা আক্তার বৃষ্টি বাদী হয়ে গজারিয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি গত ৩০ মে পিবিআই মুন্সীগঞ্জ জেলা স্ব-উদ্যোগে তদন্তভার গ্রহণ করে। মামলার তদন্ত করছেন এসআই (নিঃ) রনি দেবনাথ।
তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের সহায়তায় চারজনকে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে গজারিয়ার বড় ভাটেরচর এলাকা থেকে আবু কালাম (৪৮), জামাল হোসেন (৪৪), রাসেল মিয়া (৪৪) ও আলামিন প্রধান (৫০)কে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হলে চারজনই ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।
পিবিআই জানায়, তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য ও আসামিদের জবানবন্দি অনুযায়ী, নিহত হালিমা আক্তারের কাছে আসামিদের আর্থিক দেনা-পাওনা সংক্রান্ত বিরোধ ছিল। এছাড়া এক আসামির সঙ্গে তার ব্যক্তিগত সম্পর্কের বিষয়টি প্রকাশ হয়ে পড়ার আশঙ্কা থেকে তাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। প্রায় ১৫ দিন আগে চার আসামি মিলে হত্যার পরিকল্পনা করে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, গত ২৬ মে সন্ধ্যার পর কৌশলে হালিমা আক্তারকে বড় ভাটেরচর নদীর তীরে ডেকে আনা হয়। পরে নৌকাযোগে নদীর ওপারে একটি ভুট্টাক্ষেতে নিয়ে গিয়ে তাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়। একপর্যায়ে তার গলায় পরিহিত পোশাক পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। এরপর ঘটনাটি গোপন করতে লাশ নদীতে ফেলে দেওয়া হয় বলে তদন্তে উঠে এসেছে।
পিবিআই জানিয়েছে, মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পিবিআইর কর্মকর্তারা বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে অল্প সময়ের মধ্যেই ঘটনার রহস্য উদঘাটন এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

ধান সংগ্রহে জালিয়াতি: নেত্রকোনায় এলএসডি কর্মকর্তা বরখাস্ত, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক বদলি

২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্যাংরেপ ও হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন, ৪ আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

Update Time : ১২:১১:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, মুন্সীগঞ্জ:
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় এক তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর হত্যা এবং লাশ নদীতে ফেলে দেওয়ার ঘটনায় মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার চার আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
পিবিআই সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ মে ২০২৬ তারিখে গজারিয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ি উপজেলার টেংগারচর ইউনিয়নের বড় ভাটেরচর এলাকায় ফুলদী নদী থেকে এক অজ্ঞাত তরুণীর ভাসমান লাশ উদ্ধার করে। পরে পিবিআই, মুন্সীগঞ্জ জেলার তদন্তে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা হয়। নিহত হালিমা আক্তার (১৯) গজারিয়া উপজেলার হোসেন্দী ইউনিয়নের জামালদী গ্রামের বাসিন্দা।
এ ঘটনায় নিহতের বোন হোসনেয়ারা আক্তার বৃষ্টি বাদী হয়ে গজারিয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি গত ৩০ মে পিবিআই মুন্সীগঞ্জ জেলা স্ব-উদ্যোগে তদন্তভার গ্রহণ করে। মামলার তদন্ত করছেন এসআই (নিঃ) রনি দেবনাথ।
তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের সহায়তায় চারজনকে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে গজারিয়ার বড় ভাটেরচর এলাকা থেকে আবু কালাম (৪৮), জামাল হোসেন (৪৪), রাসেল মিয়া (৪৪) ও আলামিন প্রধান (৫০)কে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হলে চারজনই ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।
পিবিআই জানায়, তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য ও আসামিদের জবানবন্দি অনুযায়ী, নিহত হালিমা আক্তারের কাছে আসামিদের আর্থিক দেনা-পাওনা সংক্রান্ত বিরোধ ছিল। এছাড়া এক আসামির সঙ্গে তার ব্যক্তিগত সম্পর্কের বিষয়টি প্রকাশ হয়ে পড়ার আশঙ্কা থেকে তাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। প্রায় ১৫ দিন আগে চার আসামি মিলে হত্যার পরিকল্পনা করে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, গত ২৬ মে সন্ধ্যার পর কৌশলে হালিমা আক্তারকে বড় ভাটেরচর নদীর তীরে ডেকে আনা হয়। পরে নৌকাযোগে নদীর ওপারে একটি ভুট্টাক্ষেতে নিয়ে গিয়ে তাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়। একপর্যায়ে তার গলায় পরিহিত পোশাক পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। এরপর ঘটনাটি গোপন করতে লাশ নদীতে ফেলে দেওয়া হয় বলে তদন্তে উঠে এসেছে।
পিবিআই জানিয়েছে, মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পিবিআইর কর্মকর্তারা বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে অল্প সময়ের মধ্যেই ঘটনার রহস্য উদঘাটন এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে।