
(পলাশ পাল, নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি)বর্তমান বছরের বিগত ৩ জানুয়ারি দৈনিক কালেরকণ্ঠে ‘টাকার বিনিময়ে বাংলাদেশি নাগরিকত্ব নিচ্ছে রোহিঙ্গারা’ শিরোনামে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।এতে জেলা জুড়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচন সৃষ্টি হয়।এরই প্রেক্ষিতে প্রকাশিত প্রতিবেদন উপর ভিত্তি করে নির্বাচন কমিশন এর একটি টিম বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করে। দীর্ঘ সময় তদন্ত শেষে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় সম্প্রতি কলমাকান্দা উপজেলা নির্বাচন অফিসে চুক্তিভিত্তিক (আউটসোর্সিং) কর্মরত তিন কর্মচারীকে নির্বাচন কমিশন চাকরি থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।অভিযুক্ত
চাকরিচ্যুত ব্যক্তিরা হলেন,ডাটা এন্ট্রি অপারেটর কাঞ্চন মিয়া, আরিফ মিয়া এবং স্ক্যানিং অপারেটর স্মরণ সরকার হীরা। গত ২১ জুলাই মঙ্গলবার নেত্রকোনা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ তোফায়েল হোসেন অভিযুক্ত কর্মচারীদের চাকরিচ্যুতির বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতেই গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় বিধি অনুযায়ী তাদের চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এরই জেরে চাকরিচ্যুত এক কর্মচারী কাঞ্চন মিয়া, অনুসন্ধানী প্রতিবেদক, দৈনিক কালের কণ্ঠের নেত্রকোণা জেলা প্রতিনিধি ইবাদ হোসেনকে তার ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এ সময় অভিযুক্ত কাঞ্চন মিয়া প্রতিবেদকের উপর অভিযোগ করে বলেন, তার, প্রকাশিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের কারণেই তার চাকরি চলে গেছে তাই তিনি সাংবাদিককে নেত্রকোনায় কোথাও পেলে দেখে নেওয়ার হুমকি প্রদান করেন। এ বিষয়টি কালের কন্ঠের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে তাদের পরামর্শক্রমে
সাংবাদিক নিজের এবং পরিবারের নিরাপত্তার স্বার্থে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। লিখিত অভিযোগে সাংবাদিক ইবাদ হোসেন,চাকরিচ্যুত ডাটা এন্ট্রি অপারেটর কাঞ্চন মিয়া, পিতা- আনিস মিয়া,বাড়ি- খতিবনগুয়া,নেত্রকোণা কে অভিযুক্ত করে উপরোক্ত বিষয় সমূহ উল্লেখ করে আজ ২২ জুলাই বুধবার নেত্রকোনা মডেল থানায় লিখিত আকারে অভিযোগ দায়ের করেন ।
সাংবাদিক ইবাদ হোসেন বলেন,“জনস্বার্থে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিলাম। সেই প্রতিবেদনের জেরে তিনজন চাকরিচ্যুত দের মধ্যে একজন চাকরিচ্যুত কর্মচারী (কাঞ্চন মিয়া) আমাকে ফোন করে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছেন। একজন পেশাদার সাংবাদিক হিসেবে আমি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। তাই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা চেয়েছি।
এ বিষয়ে নেত্রকোণার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) হাফিজুল ইসলাম বলেন, “অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে খুব দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন ।
Reporter Name 

















