
ডেস্ক রিপোর্ট :
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার শ্যামল কান্তি ও অফিস সহকারী সংকর পাল বই চুরির একটি মামলায় চার্জশিটভুক্ত হয়ে নিয়মিত আদালতে হাজিরা দিচ্ছেন। এ ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহলে নানা আলোচনা ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২২ শিক্ষাবর্ষের নতুন পাঠ্যবই অবৈধভাবে বিক্রির উদ্দেশ্যে সিলেট শহরে নেওয়া হচ্ছিল—এমন অভিযোগে সিলেট কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ একটি পিকআপসহ বই জব্দ করে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের পর পুলিশ দীর্ঘ তদন্ত পরিচালনা করে।
তদন্ত শেষে সংশ্লিষ্ট দুই কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে সম্পৃক্ততার অভিযোগে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়। বর্তমানে মামলাটি বিচারাধীন রয়েছে এবং তারা নিয়মিত আদালতে হাজিরা দিচ্ছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
এদিকে, চার্জশিটভুক্ত এই দুই কর্মচারীকে নিয়েই গোয়াইনঘাট উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, বিচারাধীন একটি গুরুত্বপূর্ণ ফৌজদারি মামলায় চার্জশিটভুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কীভাবে স্বাভাবিকভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণের দাবিও জানিয়েছেন সচেতন মহলের অনেকে।
তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বক্তব্যের জন্য যোগাযোগ করা হলে তাদের মতামত পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।
উল্লেখ্য, মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন থাকায় আদালতের চূড়ান্ত রায়ের আগে অভিযুক্তদের দোষী বা নির্দোষ হওয়ার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
Reporter Name 
















