
ডেস্ক রিপোর্ট :
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার ১০ নম্বর পশ্চিম আলীরগাঁও ইউনিয়নের নগর (বল্লা) গ্রামের অদূরে নদী থেকে ইজারাবহির্ভূত স্থান ব্যবহার করে অবৈধ ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। দিনের বেলাতেই প্রকাশ্যে এসব বালু উত্তোলন করা হচ্ছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
স্থানীয়দের দাবি, নগর (বল্লা) গ্রামের সামনের নদী ছাড়াও বালির হাওর, তিতকুল্লি, বুদিগাঁও ও বাংলাবাজার এলাকার বিভিন্ন স্থান থেকে শত শত নৌকা ব্যবহার করে দিনে ও রাতের আঁধারে ড্রেজার মেশিনের মাধ্যমে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এতে নদীর তীর, কৃষিজমি ও স্থানীয় পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করছেন তারা।
অভিযোগ রয়েছে, উত্তোলিত এসব বালু ইজারাভুক্ত নয় বলে স্থানীয়দের দাবি থাকলেও এর ওপর প্রতি ঘনফুট/নির্ধারিত পরিমাণে চার টাকা করে ‘রয়্যালটি’ আদায় করা হচ্ছে। স্থানীয়দের প্রশ্ন, ইজারাবহির্ভূত স্থান থেকে উত্তোলন করা বালুর ওপর কীভাবে রয়্যালটি আদায় করা হচ্ছে এবং এ অর্থের বৈধতা কী?
এদিকে স্থানীয়ভাবে অভিযোগ ছড়িয়েছে, অবৈধ বালু উত্তোলন ও রয়্যালটি আদায়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের একটি অংশ প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কিছু অসাধু ব্যক্তিকে অর্থের ভাগ দিয়ে থাকে। তবে এ অভিযোগের পক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এভাবে বালু উত্তোলন চললেও কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় বালু উত্তোলনকারীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। তারা অবিলম্বে ইজারার সীমানা নির্ধারণ, ইজারাবহির্ভূত স্থান থেকে বালু উত্তোলন বন্ধ এবং অবৈধ ড্রেজার মেশিন ও নৌকার বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন।
অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ইজারাদার/রয়্যালটি আদায়কারী পক্ষ এবং প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হবে।
সচেতন মহলের দাবি, বিষয়টি সরেজমিনে তদন্ত করে ইজারার সীমানা ও বালু উত্তোলনের বৈধতা যাচাই করা হোক। একই সঙ্গে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও রয়্যালটি আদায়ের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
Reporter Name 

















