বাংলাদেশ ০৬:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
fa fa-square নেত্রকোনা শহীদ মিনারের প্রবেশপথে অবৈধ দোকান উচ্ছেদ, নির্মিত হবে নান্দনিক গেট fa fa-square চারটি ইউনিয়নের মানুষ —জলুরমুখ খেওয়াঘাটে দুর্ভোগে fa fa-square কলমাকান্দায় প্রস্তাবিত জোড়া সেতুর স্থান পরিদর্শনে প্রকল্প পরিচালক: দ্রুত বাস্তবায়নের আশ্বাস fa fa-square গুলশানে আওয়ামী লীগের মিছিল ঘিরে গ্রেপ্তার ৭২, রিমান্ডে ২৪ fa fa-square ধান সংগ্রহে জালিয়াতি: নেত্রকোনায় এলএসডি কর্মকর্তা বরখাস্ত, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক বদলি fa fa-square ধর্মপাশায় ফজলুল হক সেলবর্ষী স্মৃতি ফুটবল টুনামেন্টে – এমপি কামরুল  fa fa-square গোয়াইনঘাটে ইজারাবহির্ভূত ও ইসিএ ভুক্ত স্থান থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ fa fa-square খালিয়াজুরীতে হাওড়ের পানিতে ডুবে দুই শিশুর করুণ মৃত্যু fa fa-square ট্রলারের ইঞ্জিনে বোরকা-চুল পেঁচিয়ে বরযাত্রী নারীর মর্মান্তিক মৃত্যু: fa fa-square আসক’র সিলেট জেলা কমিটি গঠন সভাপতি রাজু, সম্পাদক আশরাফুল

গভীর রাতে জাফলং সীমান্তে বিজিবি-জনতার যৌথ টহল, সীমান্ত সুরক্ষায় অনন্য উদ্যোগ

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:৪৫:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬
  • ৭৫ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক, গোয়াইনঘাট (সিলেট):
সিলেটের জাফলং সীমান্তে গভীর রাতে সীমান্ত সুরক্ষা ও অপরাধ দমনে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং স্থানীয় জনসাধারণের যৌথ টহল কার্যক্রম প্রশংসা কুড়িয়েছে। চোরাচালান, অবৈধ অনুপ্রবেশ, পুশইনসহ বিভিন্ন সীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে এ উদ্যোগকে কার্যকর পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা।
শনিবার দিবাগত রাত প্রায় ১২টার দিকে ৪৮ বিজিবির সংগ্রাম ক্যাম্পের আওতাধীন সীমান্ত এলাকায় সরেজমিনে দেখা যায়, বিজিবি সদস্যদের সঙ্গে স্থানীয় যুবক ও প্রবীণ স্বেচ্ছাসেবকরা লাঠি ও টর্চলাইট হাতে সীমান্ত এলাকায় টহলে অংশ নিচ্ছেন। চারদিকে গভীর অন্ধকার নেমে এলেও সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা ছিলেন সতর্ক ও সক্রিয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সীমান্ত নিরাপদ থাকলে তাদের জীবন, সম্পদ ও পরিবারও নিরাপদ থাকে। বিজিবির আহ্বানে সাড়া দিয়ে সীমান্ত রক্ষার কাজে অংশ নিতে পেরে তারা গর্ববোধ করছেন। তাদের মতে, যৌথ টহলের ফলে সীমান্ত এলাকায় অপরাধ প্রবণতা কমেছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাবোধ বৃদ্ধি পেয়েছে।
সংগ্রাম ক্যাম্পের বিওপি কমান্ডার শহিদুল আলম বলেন, “জনসাধারণই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। সীমান্ত রক্ষা শুধু বিজিবির দায়িত্ব নয়, এটি দেশের প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব। স্থানীয় জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ আমাদের মনোবল বাড়িয়েছে এবং সীমান্ত এলাকায় অপরাধ দমনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।”
তিনি আরও জানান, যৌথ নজরদারির ফলে রাতের আঁধারে অবৈধ সীমান্ত পারাপার ও অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে।
বিজিবি ও স্থানীয় জনগণ জানিয়েছেন, ঝড়-বৃষ্টি কিংবা প্রতিকূল আবহাওয়া উপেক্ষা করে দেশমাতৃকার সুরক্ষায় এ ধরনের টহল কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। সীমান্ত এলাকায় টর্চের আলো, বাঁশির শব্দ ও বিজিবি সদস্যদের পদচারণায় রাতের নিস্তব্ধতা ভেঙে সৃষ্টি হয়েছে নিরাপত্তার এক দৃঢ় বার্তা।
স্থানীয়দের মতে, বিজিবি ও জনগণের এই সমন্বিত উদ্যোগ সীমান্ত সুরক্ষায় নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে এবং জাফলং সীমান্তকে আরও নিরাপদ ও দুর্ভেদ্য করে তুলেছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

নেত্রকোনা শহীদ মিনারের প্রবেশপথে অবৈধ দোকান উচ্ছেদ, নির্মিত হবে নান্দনিক গেট

গভীর রাতে জাফলং সীমান্তে বিজিবি-জনতার যৌথ টহল, সীমান্ত সুরক্ষায় অনন্য উদ্যোগ

Update Time : ১২:৪৫:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, গোয়াইনঘাট (সিলেট):
সিলেটের জাফলং সীমান্তে গভীর রাতে সীমান্ত সুরক্ষা ও অপরাধ দমনে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং স্থানীয় জনসাধারণের যৌথ টহল কার্যক্রম প্রশংসা কুড়িয়েছে। চোরাচালান, অবৈধ অনুপ্রবেশ, পুশইনসহ বিভিন্ন সীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে এ উদ্যোগকে কার্যকর পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা।
শনিবার দিবাগত রাত প্রায় ১২টার দিকে ৪৮ বিজিবির সংগ্রাম ক্যাম্পের আওতাধীন সীমান্ত এলাকায় সরেজমিনে দেখা যায়, বিজিবি সদস্যদের সঙ্গে স্থানীয় যুবক ও প্রবীণ স্বেচ্ছাসেবকরা লাঠি ও টর্চলাইট হাতে সীমান্ত এলাকায় টহলে অংশ নিচ্ছেন। চারদিকে গভীর অন্ধকার নেমে এলেও সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা ছিলেন সতর্ক ও সক্রিয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সীমান্ত নিরাপদ থাকলে তাদের জীবন, সম্পদ ও পরিবারও নিরাপদ থাকে। বিজিবির আহ্বানে সাড়া দিয়ে সীমান্ত রক্ষার কাজে অংশ নিতে পেরে তারা গর্ববোধ করছেন। তাদের মতে, যৌথ টহলের ফলে সীমান্ত এলাকায় অপরাধ প্রবণতা কমেছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাবোধ বৃদ্ধি পেয়েছে।
সংগ্রাম ক্যাম্পের বিওপি কমান্ডার শহিদুল আলম বলেন, “জনসাধারণই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। সীমান্ত রক্ষা শুধু বিজিবির দায়িত্ব নয়, এটি দেশের প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব। স্থানীয় জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ আমাদের মনোবল বাড়িয়েছে এবং সীমান্ত এলাকায় অপরাধ দমনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।”
তিনি আরও জানান, যৌথ নজরদারির ফলে রাতের আঁধারে অবৈধ সীমান্ত পারাপার ও অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে।
বিজিবি ও স্থানীয় জনগণ জানিয়েছেন, ঝড়-বৃষ্টি কিংবা প্রতিকূল আবহাওয়া উপেক্ষা করে দেশমাতৃকার সুরক্ষায় এ ধরনের টহল কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। সীমান্ত এলাকায় টর্চের আলো, বাঁশির শব্দ ও বিজিবি সদস্যদের পদচারণায় রাতের নিস্তব্ধতা ভেঙে সৃষ্টি হয়েছে নিরাপত্তার এক দৃঢ় বার্তা।
স্থানীয়দের মতে, বিজিবি ও জনগণের এই সমন্বিত উদ্যোগ সীমান্ত সুরক্ষায় নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে এবং জাফলং সীমান্তকে আরও নিরাপদ ও দুর্ভেদ্য করে তুলেছে।