বাংলাদেশ ০৬:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
fa fa-square অসহায় রোগীর পাশে গোয়াইনঘাট প্রবাসী সমাজকল্যাণ পরিষদ fa fa-square মোগলাবাজারে অভিযান: তালিকাভুক্ত ছিনতাইকারীসহ একাধিক মামলার আসামি গ্রেফতার fa fa-square গোয়াইনঘাটের পশ্চিম জাফলং ইউনিয়নে কর্মী শিক্ষাশিবির অনুষ্ঠিত fa fa-square গোয়াইনঘাট রুস্তমপুর ইউনিয়নে বস্ত্র উপহার বিতরণ অনুষ্ঠিত fa fa-square গোয়াইনঘাটে ‘গোয়াইনঘাট এসোসিয়েশন অফ ইতালি’র দেশীয় সমন্বয় কমিটি গঠন fa fa-square জৈন্তাপুরে মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন, নতুন নেতৃত্ব ঘোষণা fa fa-square জাফলংয়ে কূপ থেকে দেশীয় পিস্তল উদ্ধার, আটক ৩ fa fa-square গোয়াইনঘাট এসোসিয়েশন অব মিশিগানের নেতৃবৃন্দ লিনা খালিক ও তার পরিবারের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ fa fa-square চৌরঙ্গী খেওয়া ঘাটে সেতু নির্মাণের দাবিতে জলুর মুখ বাজারে আলোচনা সভা fa fa-square সিলেটে ১১ দলীয় ঐক্যের কর্মসূচি: এনসিপির লিফলেট বিতরণ

গোয়াইনঘাট ট্রাভেলসের নামে বিদেশে পাঠানোর প্রলোভন: মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে ৫ লাখ ৪০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:২৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬
  • ৩০৯ Time View

বিশেষ প্রতিনিধি, গোয়াইনঘাট (সিলেট):
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার নাম ব্যবহার করে “গোয়াইনঘাট ট্রাভেলস” নামে একটি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে বিদেশে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মুজিবুর রহমান নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগীদের দাবি, বিদেশে পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ নেওয়া হলেও দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও কাউকে বিদেশে পাঠানো হয়নি এবং নেওয়া টাকাও ফেরত দেওয়া হয়নি।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে বিদেশে পাঠানোর কথা বলে তাদের পরিবারের কাছ থেকে মোট ৫ লাখ ৪০ হাজার টাকা গ্রহণ করেন মুজিবুর রহমান। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিদেশে পাঠানোর কথা থাকলেও পরে তিনি এ বিষয়ে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেননি।
ভুক্তভোগীরা জানান, ২০২৫ সালের মার্চ মাসে তার দেওয়া বিভিন্ন আশ্বাস ও কথাবার্তার অসংগতি প্রমাণসহ তাকে সতর্ক করা হয় এবং টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য বলা হয়। স্থানীয়ভাবে শালিস বৈঠকের মাধ্যমে তিনি টাকা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও এখন পর্যন্ত কোনো অর্থ ফেরত দেননি।
অভিযোগ রয়েছে, কয়েক মাস পর থেকে মুজিবুর রহমানের সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনি ভুক্তভোগীদের ব্লক করে দেন। পরে বাধ্য হয়ে ভুক্তভোগী পরিবার তার পরিবারের কাছে বিষয়টি জানালেও তারাও কেবল আশ্বাস দিলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর ফল পাওয়া যায়নি।
বর্তমানে জানা গেছে, মুজিবুর রহমান সিলেট শহরের বাইরে অবস্থান করছেন এবং ভুক্তভোগীদের সঙ্গে যোগাযোগ এড়িয়ে চলছেন।
অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, শুধু একটি পরিবার নয়—একইভাবে আরও অনেক সাধারণ মানুষের কাছ থেকেও বিদেশে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগীরা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এবং সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তারা অন্য ভুক্তভোগীদেরও প্রমাণসহ আইনি সহায়তা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
ভুক্তভোগীরা সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, কোনো ট্রাভেলস এজেন্সি বা বিদেশে পাঠানোর প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে লেনদেন করার আগে অবশ্যই তাদের লাইসেন্স, সরকারি অনুমোদন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করে নেওয়া উচিত।
চাইলে আমি এই নিউজটির আরও শক্তিশালী ৫–৬টি বিকল্প শিরোনামও করে দিতে পারি, যেগুলো পত্রিকায় আরও আকর্ষণীয় দেখাবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

অসহায় রোগীর পাশে গোয়াইনঘাট প্রবাসী সমাজকল্যাণ পরিষদ

গোয়াইনঘাট ট্রাভেলসের নামে বিদেশে পাঠানোর প্রলোভন: মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে ৫ লাখ ৪০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

Update Time : ০৩:২৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

বিশেষ প্রতিনিধি, গোয়াইনঘাট (সিলেট):
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার নাম ব্যবহার করে “গোয়াইনঘাট ট্রাভেলস” নামে একটি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে বিদেশে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মুজিবুর রহমান নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগীদের দাবি, বিদেশে পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ নেওয়া হলেও দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও কাউকে বিদেশে পাঠানো হয়নি এবং নেওয়া টাকাও ফেরত দেওয়া হয়নি।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে বিদেশে পাঠানোর কথা বলে তাদের পরিবারের কাছ থেকে মোট ৫ লাখ ৪০ হাজার টাকা গ্রহণ করেন মুজিবুর রহমান। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিদেশে পাঠানোর কথা থাকলেও পরে তিনি এ বিষয়ে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেননি।
ভুক্তভোগীরা জানান, ২০২৫ সালের মার্চ মাসে তার দেওয়া বিভিন্ন আশ্বাস ও কথাবার্তার অসংগতি প্রমাণসহ তাকে সতর্ক করা হয় এবং টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য বলা হয়। স্থানীয়ভাবে শালিস বৈঠকের মাধ্যমে তিনি টাকা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও এখন পর্যন্ত কোনো অর্থ ফেরত দেননি।
অভিযোগ রয়েছে, কয়েক মাস পর থেকে মুজিবুর রহমানের সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনি ভুক্তভোগীদের ব্লক করে দেন। পরে বাধ্য হয়ে ভুক্তভোগী পরিবার তার পরিবারের কাছে বিষয়টি জানালেও তারাও কেবল আশ্বাস দিলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর ফল পাওয়া যায়নি।
বর্তমানে জানা গেছে, মুজিবুর রহমান সিলেট শহরের বাইরে অবস্থান করছেন এবং ভুক্তভোগীদের সঙ্গে যোগাযোগ এড়িয়ে চলছেন।
অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, শুধু একটি পরিবার নয়—একইভাবে আরও অনেক সাধারণ মানুষের কাছ থেকেও বিদেশে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগীরা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এবং সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তারা অন্য ভুক্তভোগীদেরও প্রমাণসহ আইনি সহায়তা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
ভুক্তভোগীরা সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, কোনো ট্রাভেলস এজেন্সি বা বিদেশে পাঠানোর প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে লেনদেন করার আগে অবশ্যই তাদের লাইসেন্স, সরকারি অনুমোদন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করে নেওয়া উচিত।
চাইলে আমি এই নিউজটির আরও শক্তিশালী ৫–৬টি বিকল্প শিরোনামও করে দিতে পারি, যেগুলো পত্রিকায় আরও আকর্ষণীয় দেখাবে।