
শামীম আহমদ, স্টাফ রিপোর্টার -সিলেট।
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্নের একটি ব্রীজ ২০০১ সালে তৎকালীন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী M. Saifur Rahman-এর উদ্যোগে নির্মিত হয়। এলাকাবাসীর কাছে এটি উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।
কিন্তু সম্প্রতি অভিযোগ উঠেছে, গোয়াইনঘাট উপজেলার পূর্ণানগর গ্রামের ডেবিল ফারুক (৪৫), পিতা মৃত আব্দুর রাজ্জাক, ব্রীজের নিচ থেকে তার নেতৃত্বে নিয়মিত অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছেন।
স্থানীয়দের দাবি, তিনি অতীতে Bangladesh Awami League-এর রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকলেও গত ৫ আগস্টের পর রাজনৈতিক অবস্থান পরিবর্তন করে Bangladesh Nationalist Party (বিএনপি)-র নাম ব্যবহার করে ব্রীজের নিচ থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত হয়েছেন।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, সেতুর নিচ থেকে প্রতিদিন বালু উত্তোলনের কারণে গুরুত্বপূর্ণ এই ব্রীজটি এখন ঝুঁকির মুখে পড়েছে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ডেবিল ফারুক যে সময়ে যে রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় থাকে, সেই দলের নাম ব্যবহার করে প্রভাব খাটিয়ে বালু উত্তোলন ও চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত থাকেন।
এ ঘটনায় এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অনেকের মতে, যারা দলের দুর্দিনে পাশে থাকে না কিন্তু সুসময়ে দলের নাম ভাঙিয়ে ব্যক্তিস্বার্থ হাসিল করে, তাদের কারণেই রাজনীতি কলুষিত হচ্ছে।
স্থানীয় এক বাসিন্দা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আক্ষেপ করে বলেন,
“রঙ বদলায়, দল বদলায়, এমনকি মন্ত্রীও বদলে যায়—কিন্তু ডেবিল ফারুকের অপকর্ম ও অফিস-আদালতে তেলবাজি করার অভ্যাস বদলায় না। হাওয়া যেদিকে, ফারুক সেদিকেই।”
এখন দেখার বিষয়, স্থানীয় প্রশাসন এসব ‘সুবিধাবাদী’ ও ‘হাইব্রিড’ নেতাদের বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয় কি না, নাকি আগের মতোই প্রভাব খাটিয়ে তারা তাদের কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাবেন।
Reporter Name 















