বাংলাদেশ ০৬:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
fa fa-square মোহনগঞ্জ হাসপাতালে জনবল ও সরঞ্জাম সংকটে সেবা ব্যাহত: চরম ভোগান্তিতে হাওরাঞ্চলের লাখো রোগী fa fa-square পূবালী ব্যাংকের সৌজন্যে নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়ে গাড়ি হস্তান্তর, শিক্ষার্থীদের পরিবহণ সুবিধা সম্প্রসারণে নতুন সংযোজন fa fa-square জমি উদ্ধারসহ ৬ দফা দাবিতে কলমাকান্দায় শিক্ষার্থীদের ইউএনও কার্যালয় ঘেরাও fa fa-square ঢাকাউত্তর মোহাম্মদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির নির্বাচনে তিন শিক্ষকের মনোনয়ন সংগ্রহ fa fa-square আমড়া বিক্রি করে জীবিকা ও পড়ার খরচ জুগিয়ে নজর কাড়ছে ধর্মপাশার দুই শিশু fa fa-square ভোলাগঞ্জ সাদাপাথরে সিলেট সিটি অনলাইন প্রেসক্লাবের আনন্দ ভ্রমণ fa fa-square নেত্রকোনা শহীদ মিনারের প্রবেশপথে অবৈধ দোকান উচ্ছেদ, নির্মিত হবে নান্দনিক গেট fa fa-square চারটি ইউনিয়নের মানুষ —জলুরমুখ খেওয়াঘাটে দুর্ভোগে fa fa-square কলমাকান্দায় প্রস্তাবিত জোড়া সেতুর স্থান পরিদর্শনে প্রকল্প পরিচালক: দ্রুত বাস্তবায়নের আশ্বাস fa fa-square গুলশানে আওয়ামী লীগের মিছিল ঘিরে গ্রেপ্তার ৭২, রিমান্ডে ২৪

আমড়া বিক্রি করে জীবিকা ও পড়ার খরচ জুগিয়ে নজর কাড়ছে ধর্মপাশার দুই শিশু

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:২৬:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫৫ Time View

 

মোঃ আবুল কালাম,ধর্মপাশা প্রতিনিধ ::

​সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার বাদশাগঞ্জ বাজার এলাকায় ১০ ও ১২ বছর বয়সী দুই শিশুর জীবনসংগ্রাম নজর কেড়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের। সেলবরষ ইউনিয়নের বীর উত্তর একই গ্রামের এই দুই শিশু একাধারে পড়াশোনা ও আমড়া বিক্রির মতো হাড়ভাঙা খাটুনি দিয়ে নিজেদের এবং পরিবারের অভাবের চাকা সচল রাখার চেষ্টা করছে।
​শিশুদের পরিচয়: সেলবরষ ইউনিয়নের মৃত সোনামিয়ার ছেলে রোমন মিয়া (১২) এবং একই গ্রামের কাছুমিয়ার ছেলে মাহির মিয়া (১০)।
​বর্তমানে তারা দুজনেই কচি বয়সে বাদশাগঞ্জ বাজার ও আশপাশের এলাকায় ঘুরে ঘুরে আমড়া বিক্রি করে। জীবন
​সংগ্রামে পিতৃহারা বা অসচ্ছল পরিবারের সন্তান হিসেবে তাদের ওপর খুব অল্প বয়সেই জীবন সংগ্রামের বোঝা চেপে বসেছে। দারিদ্র্যের নির্মম কষাঘাত সত্ত্বেও তারা পড়াশোনার প্রতি টান বজায় রাখার প্রাণপণ চেষ্টা চালাচ্ছে। আমড়া বিক্রি থেকে পাওয়া সামান্য আয় দিয়েই তারা তাদের শিক্ষার খরচ এবং সংসারের জরুরি চাহিদা মেটানোর চেষ্টা করে।
​স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, চরম দারিদ্র্যের কারণে বহু শিশু পড়াশোনা ছেড়ে দিতে বাধ্য হলেও রোমন ও মাহিরের এই পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা সত্যিই প্রশংসনীয়। তবে উপযুক্ত সরকারি বা বেসরকারি সহায়তা না পেলে এই শিশু দুটির ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবন কতটুকু টিকবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকে যায়। শিশুদের স্বাভাবিক বিকাশ ও শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন ও সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসা প্রয়োজন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

মোহনগঞ্জ হাসপাতালে জনবল ও সরঞ্জাম সংকটে সেবা ব্যাহত: চরম ভোগান্তিতে হাওরাঞ্চলের লাখো রোগী

আমড়া বিক্রি করে জীবিকা ও পড়ার খরচ জুগিয়ে নজর কাড়ছে ধর্মপাশার দুই শিশু

Update Time : ০৫:২৬:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

মোঃ আবুল কালাম,ধর্মপাশা প্রতিনিধ ::

​সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার বাদশাগঞ্জ বাজার এলাকায় ১০ ও ১২ বছর বয়সী দুই শিশুর জীবনসংগ্রাম নজর কেড়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের। সেলবরষ ইউনিয়নের বীর উত্তর একই গ্রামের এই দুই শিশু একাধারে পড়াশোনা ও আমড়া বিক্রির মতো হাড়ভাঙা খাটুনি দিয়ে নিজেদের এবং পরিবারের অভাবের চাকা সচল রাখার চেষ্টা করছে।
​শিশুদের পরিচয়: সেলবরষ ইউনিয়নের মৃত সোনামিয়ার ছেলে রোমন মিয়া (১২) এবং একই গ্রামের কাছুমিয়ার ছেলে মাহির মিয়া (১০)।
​বর্তমানে তারা দুজনেই কচি বয়সে বাদশাগঞ্জ বাজার ও আশপাশের এলাকায় ঘুরে ঘুরে আমড়া বিক্রি করে। জীবন
​সংগ্রামে পিতৃহারা বা অসচ্ছল পরিবারের সন্তান হিসেবে তাদের ওপর খুব অল্প বয়সেই জীবন সংগ্রামের বোঝা চেপে বসেছে। দারিদ্র্যের নির্মম কষাঘাত সত্ত্বেও তারা পড়াশোনার প্রতি টান বজায় রাখার প্রাণপণ চেষ্টা চালাচ্ছে। আমড়া বিক্রি থেকে পাওয়া সামান্য আয় দিয়েই তারা তাদের শিক্ষার খরচ এবং সংসারের জরুরি চাহিদা মেটানোর চেষ্টা করে।
​স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, চরম দারিদ্র্যের কারণে বহু শিশু পড়াশোনা ছেড়ে দিতে বাধ্য হলেও রোমন ও মাহিরের এই পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা সত্যিই প্রশংসনীয়। তবে উপযুক্ত সরকারি বা বেসরকারি সহায়তা না পেলে এই শিশু দুটির ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবন কতটুকু টিকবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকে যায়। শিশুদের স্বাভাবিক বিকাশ ও শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন ও সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসা প্রয়োজন।